Saturday, 24 October 2015

book-ok-হাদীস শাস্ত্রের পরিভাষা পরিচিতি-pdf DL

 pdf down load.pl-log on book-

http://www.mediafire.com/download/m529qykudcvjrda/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%B8+%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0+%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE+%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BF+-+%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A6+%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A8+%E0%A7%AA%E0%A7%A8%E0%A7%AA+%E0%A6%AA%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A6%BE+%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8+%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%A8+%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2.pdf


 

বিষয়ঃ হাদীস শাস্ত্রের পরিভাষা পরিচিতি ..

অনূদিত ও সংকলনে - সাজ্জাদ সালাদীন, অনলাইন সংস্করন


আসসালামু আলাইকুম,


আমার লিখিত ও অনূদিত গ্রন্থ যার নামঃ হাদীস শাস্ত্রের পরিভাষা পরিচিতি। এই শাস্ত্রে বাংলা ভাষায় বই খুবই অপ্রতুল যার প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে আমি একজন সামান্য ও নগন্য বান্দা হিসাবে দুসাহসিক কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি।


মানুষ মাত্রই ভুল। তাই ভুল হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। আপনারা আমাকে অবহিত করবেন তাহলে পরবর্তী সংস্করনে সংশোধন করার ব্যবস্থা করব ইনশা আল্লাহ। বিশেষ করে প্রথম সংস্করনে কিছু ভুল ছিল যা ফেসবুকের এক দ্বীনী ভাই সুন্দর করে উপস্থাপন করে দেখিয়েছেন যার জন্য তাকে আল্লাহ যাযাকাল্লাহ খায়ের দান করুন, আমীন।


সর্বপরি, এই গ্রন্থটি নতুন পোষ্ট করছি না এর আগেও পুরাতন আইডিতে পোষ্ট করেছিলাম। আপনাদের ভালোবাসায় আবার নতুন সংস্করন করে নতুন ভাবে বইটি আপনাদের খেদমতে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি মাত্র। আল্লাহ সহায় হোন, আমীন।


বইটির পি,ডি,এফ ডাউনলোড লিঙ্কঃ




যে সকল বিষয়গুলো এতে থাকছে তা নিম্নরূপঃ


০১ প্রারম্ভিকা

০২ ওহী (أوحى) এবং হাদীস (حَدِيث)

০৩ ওহী নাযিল হওয়ার ধরন

০৪ ওহীর প্রকারভেদ

০৫ কুরআন ও হাদীসের পার্থক্য

০৬ কুরআন মজীদ

০৭ কুরআনের উৎপত্তি

০৮ পবিত্র কুরআনের সংজ্ঞা

০৯ শুধু কুরআনের উপর আমল করা অসম্ভব

১০ হাদীসের প্রামাণিকতার পক্ষে কুরআনের দলিল

১১ কুরআনের বিধান ব্যাখ্যাকারী হাদীসের উদাহরণ

১২ হাদীসের প্রামাণিকতার পক্ষে হাদীসের দলিল

১৩ হাদীস অস্বীকার করার কতক অজুহাত

১৪ হাদীস (حَدِيث)

১৫ হাদীস (حَدِيث) ও সুন্নাহ (السنة)

১৬ হাদীস (حَدِيث) সংরক্ষণ ও বর্ণনা করার ফযীলত

১৭ হাদীস বিশুদ্ধ হওয়ার বৈজ্ঞানিক মানদন্ড

১৮ হাদীসের প্রকারভেদ

১৯ হাদীস (حَدِيث) শাস্ত্রের কতিপয় পরিভাষা

২০ সাহাবী (صَحَابِىٌ)

২১ তাবিয়ীন (تَابِعِيْنَ)

২২ তাবে’ তাবিয়ীন (تَابِعُ تَابِعِيْنَ)

২৩ রিওয়ায়েত (رِوَايَتٌ)

২৪ রিওয়ায়েত (رِوَايَتٌ) বিল মা’না

২৫ রিওয়ায়েত (رِوَايَتٌ) বিল লবজিহি

২৬ মুনকার ও রিওয়ায়েত

২৭ রাবী (رَاوِىْ)

২৮ আসমাউর রিজাল (اسماء الرجال)

২৯ দিরায়াত

৩০ মরবী আনহু

৩১ সনদ (سَنَدٌ)

৩২ সনদ (سَنَدٌ) ও মতন (مَتْنٌ)

৩৩ রিজাল

৩৪ আসমাউর রিজাল (اسماء الرجال)

৩৫ আদল বা আদিল

৩৬ আদালত

৩৭ যবত (ضَبْطٌ) ও যাবিত (ضَابِطٌ)

৩৮ সিক্বাহ্ (ثِقَةٌ)

৩৯ আসহাবে সুফফা

৪০ মুহাদ্দিস (مُحَدِّثٌ)

৪১ শায়খ (شَيْخٌ)

৪২ হাফিয (حافظ)

৪৩ হুজ্জাত (حجة)

৪৪ হাকিম (حاكم)

৪৫ শায়খাইন (شَيْخَيْنِ)

৪৬ সিহাহ্ সিত্তা (صِحَّاحٌ سِتَّهٌ)/ কৃতৃবে সিত্তা

৪৭ সিহাহ সিত্তা (صِحَّاحٌ سِتَّهٌ) বলা কতদূর সঠিক?

৪৮ সহীহাইন

৪৯ সুনানে আরবায়া

৫০ মুত্তাফাকুন্ আলাইহি (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)

৫১ সহীহায়নের বাইরেও সহীহ হাদীস রয়েছে

৫২ হাদীসের কিতাবের বিভাগ

৫৩ জামে (جَامِعٌ)

৫৪ সুনান বা মুসান্নাফ

৫৫ মুসনাদ (مُسْنَدٌ)

৫৬ মু’জাম (مُعْجَمٌ)

৫৭ রিসালা (رِسَالَةٌ)

৫৮ হাদীসের কিতাবের স্তর

৫৯ খবর (خَبَرُ)

৬০ সুন্নাহ (السنة)

৬১ হাদীসের দ্বিতীয় প্রকার শ্রেণী বিভাগ

৬২ রিওয়ায়েত বা সনদ অনুসারে হাদীস -এর প্রকারভেদ

৬৩ মুতাওয়াতির (مُتَوَاتِر)

৬৪ আহাদ (اَحَادٌ)

৬৫ বিভিন্ন প্রকার হাদীস

৬৬ মুত্তাসিল (مُتَّصِلٌ)

৬৭ মুনকাতে (مُنْقَطِعٌ)

৬৮ মুদাল্লাস ( مُدَلَّسٌ)

৬৯ মুদ্বতারাব

৭০ মুদরাজ (مُدْرَجٌ)

৭১ মুসনাদ (مُسْنَدٌ)

৭২ মাহফুয ও শায

৭৩ মা’রূফ ও মুনকার

৭৪ মুয়াল্লাল

৭৫ মুতাবি ও শাহিদ

৭৬ রাবীদের যোগ্যতা অনুসারে হাদীসের শ্রেণীবিভাগ

৭৭ সহীহ হাদীস ( صحيح حـديث)

৭৮ হাসান ((حسن)

৭৯ যঈফ (ضعيف)

৮০ মাউযু (موضوع) হাদীস বা বানোয়াট বা জাল হাদীস

৮১ যঈফ ও জাল হাদীসের সূত্রপাত

৮২ যঈফ ও জাল হাদীস বর্জনের মূলনীতি

৮৩ হাদীস জাল করার কারন ও উদ্দেশ্য

৮৪ ইতিহাসের কিছু বিখ্যাত হাদীস জালকারী

৮৫ জাল হাদীসের লক্ষণ

৮৬ কয়েকটি মাওযু হাদীস বা জাল হাদীসের উদাহরন

৮৭ ‘মাউজু’ (موضوع) বা হাদীস জাল করনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা

৮৮ যঈফ ও জাল হাদীস এবং মুসলিম সমাজে তার কুপ্রভাব

৮৯ ‘মাউজু’ বা জাল হাদীসের প্রকারভেদ

৯০ ‘ফযীলতের ক্ষেত্রে দুর্বল হাদীসের উপর আমল করা যাবে –এ সংক্রান্ত সংশয় নিরসন

৯১ যঈফ (ضعيف) হাদীস আমল করা প্রসঙ্গে

৯২ যঈফ (ضعيف) হাদীসের উপর আমল কি গ্রহণযোগ্য?

৯৩ সহীহ হাদীস বনাম যঈফ হাদীস

৯৪ হাদীসে কুদসী (الحـديث القُـــدُسي)

৯৫ কুরআন ও হাদীসে কুদসীর পার্থক্য

৯৬ হাদীসে কুদসী ও হাদীসে নব্বীর পার্থক্য

৯৭ হাদীসে কুদসীর উপর লিখিত গ্রন্থসমূহ

৯৮ হাদীস বর্ণনায় সতর্কতা অবলম্বন

৯৯ সাহাবীদের পর থেকে হাদীস গ্রন্থায়িত হওয়া পর্যন্ত সময়ে হাদীস গ্রহনে আলেমদের সাবধানতা

১০০ উপসংহার

১০১ পরিশিষ্ট – ১ - সহায়ক গ্রন্থসমূহের তালিকা


ধন্যবাদান্তে,


সাজ্জাদ সালাদীন, লেখক।
---------------------------------------------------------------------------------------------------------------
হাদীস এখন এক বিপদজ্জনক বিষয়।

.

.

সমাজে কিছু সাধারণ আলেমদের হাত ধরে/মুখ বেয়ে জাল, যয়ীফ আর গরীব হাদীসের পাশাপাশি বানোয়াট কথা হাদীসের স্থান করে নিয়েছে। এগুলো সবই বাদের তালিকায় যাবার কথা। কিন্তু হয়েছে উল্টো। অবস্থা এতদূর খারাপ হয়েছে যে, দেওবন্দী আলেম হিসাবে যাদের এককালে খ্যাতি ছিল, তারাই বর্তমানে মুরুব্বীদের রেফারেন্সে কোন কিছু না দেখে শুন্হেই হাদীস বয়ান শুরু করেছে, কেননা এর দ্বারা কিছু বাড়তী দুনিয়াবী ফায়দা রয়েছে।

তাই সকলকে আখেরাতের আশায় সময় নিয়ে গভীর অনুসন্ধানী মন নিয়ে পড়াশুনা শুরু করা দরকার। যেখানে জ্ঞানের ঘাটতী অনুভূত হবে, সে বিষয়ে সহীহ আলেমদের সাথে অনলাইনে পড়াশুনা করে মিটিয়ে নেয়ার সুযোগ রয়েছে। আল্লাহ আমাদের এ পথে জীবনের শেষ দিনগুলোতে মিশে থাকার তওফিক দিন।
 

Friday, 2 October 2015

ইলমুল হাদীসের ধারাবাহিক ইতিহাস, সংগ্রহ পদ্ধতি, লিপিবদ্ধকরণে সতর্কতা ও যাচাই-বাছাইয়ে অনুসৃত পদ্ধতি, হাদীসের সূত্র ইত্যাদি যাবতীয় বিষয়ে অত্যন্ত জ্ঞানগর্ভ আলোচনা

STRICK on PHOTO:-
তারীখে ইলমে হাদীস
http://www.mediafire.com/download/6z5dob79ek1nba1/Tarikhe+Ilme+Hadith.pdf


Posted By: WaytoJannahPosted date: ১১, ২০১৫in: ডাউনলোড, হাদিস-ডাউনলোডNo Comments
পবিত্র কুরআনের পরই হাদীসের স্থান। তাই হাদীস চর্চার ধারাবাহিক ইতিহাস সম্বন্ধে যেমন গবেষকগণের জানা উচিত তেমনি জানা উচিত মুসলিম উম্মাহর প্রত্যেক সদস্যেরই। ইলমুল হাদীসের ধারাবাহিক ইতিহাস, সংগ্রহ পদ্ধতি, লিপিবদ্ধকরণে সতর্কতা ও যাচাই-বাছাইয়ে অনুসৃত পদ্ধতি, হাদীসের সূত্র ইত্যাদি যাবতীয় বিষয়ে অত্যন্ত জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করা হয়েছে মুফতি সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ আমীমুল ইহসান কর্তৃক উর্দু ভাষায় রচিত ‘তারিখ ইলমে হাদীস’ নামক গ্রন্থটিতে।
মুফতি সাইয়্যেদ মুহাম্মদ আমীমুল ইহসান ছিলেন এ উপমহাদেশের শীর্ষস্থানীয় একজন মুহাদ্দিস। তিনি ঢাকা আলীয়া মাদ্রাসার হেড মওলানা ছিলেন। তিনি ছিলেন বায়তুল মুকাররম মসজিদেরও প্রথম খতীব। এই মহান জ্ঞান সাধক সারাজীবন কুরআন ও হাদীসের অনুশীলন ও গবেষনা করেছেন, তালিম দিয়েছেন অসংখ্য ছাত্রকে। আরবী ও উর্দু ভাষায় তিনি সত্তরটির অধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তার এসব গ্রন্থ মিসরের আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়েও পাঠক্রমভুক্ত হয়েছে। এই মনীষীর কলম থেকে নিঃসৃত ‘তারিখে ইলমুল হাদীস’ নামক অনন্য গ্রন্থটি প্রাঞ্জল ভাষায় রচিত। এটি অনুবাদ করেছেন লোকমান আহমদ আমীমী।
+++++++++++

Sunday, 13 September 2015

হাদীছ কাকে বলে?


1.প্রশ্নঃ হাদীছ কাকে বলে?
উত্তরঃ নবী (সাঃ)এর কথা, কাজ ও সমর্থনকে হাদীছবলে।
2. প্রশ্নঃ হাদীছ কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ হাদীছ দুপ্রকারঃ মাকবূল (গ্রহণযোগ্য)হাদীছ ও (মারদূদ) অগ্রহণযোগ্য হাদীছ।
3. প্রশ্নঃ মাকবূল হাদীছ কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ মাকবূল হাদীছ দুপ্রকারঃ ছহীহ ও হাসান।
4. প্রশ্নঃ মারদূদ বা অগ্রহণযোগ্য হাদীছ কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ দুপ্রকারঃ যঈফ (দুর্বল) ও জাল (বানোয়াট)।
5. প্রশ্নঃ সহীহ হাদীছ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে হাদীছটি নির্ভরযোগ্য ও পূর্ণ স্মৃতিশক্তি সম্পন্ন বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন, উহার সনদ পরস্পর সম্পৃক্ত, তার মধ্যেগোপন কোন ত্রুটি নেই এবং উহা শাযও (তথা অন্য কোন অধিকতর নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীর বর্ণনার বিরোধী) নয় তাকে সহীহ হাদীছ বলে।
6. প্রশ্নঃ প্রসিদ্ধ হাদীছ গ্রন্থ কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ ৬টি। সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম, সুনানে তিরমিযী, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে নাসাঈ, সুনানে ইবনে মাজাহ।
7. প্রশ্নঃ সিহাহ সিত্তা বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ হাদীছের ছয়টি গ্রন্থকে বুঝানো হয়। সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম, সুনানে তিরমিযী, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে নাসাঈ, সুনানে ইবনে মাজাহ। (বুখারী ও মুসলিমের সবগুলো এবং অন্য কিতাবগুলোর অধিকাংশ হাদীছ বিশুদ্ধ, তাই এগুলোকে একসাথে সিহাহ সিত্তা বা ছয়টি বিশুদ্ধ হাদীছ গ্রন্থ বলা হয়)
8. প্রশ্নঃ সহীহ বুখারীতে কতটি হাদীছ রয়েছে?
উত্তরঃ ৭০০৮টি। মতান্তরেঃ ৭৫৬৩টি।
9. প্রশ্নঃ সহীহ মুসলিমে কতটি হাদীছ রয়েছে?
উত্তরঃ ৩০৩৩টি।
10. প্রশ্নঃ সুনানে তিরমিযীতে কতটি হাদীছ রয়েছে?
উত্তরঃ ৩৯৫৬টি।
11. প্রশ্নঃ সুনানে আবু দাউদে কতটি হাদীছ রয়েছে?
উত্তরঃ ৫২৭৪টি।
12. প্রশ্নঃ সুনানে নাসাঈতে কতটি হাদীছ রয়েছে?
উত্তরঃ ৫৭৫৮টি।
13. প্রশ্নঃ সুনানে ইবনে মাজাহতে কতটি হাদীছ রয়েছে?
উত্তরঃ ৪৩৪১টি।
14. প্রশ্নঃ হাদীছ গ্রন্থগুলোর মধ্যে কোন কিতাবে সবচেয়ে বেশী হাদীছ সংকলিত হয়েছে? উত্তরঃ মুসনাদে আহমাদে।
15. প্রশ্নঃ মুসনাদে আহমাদে কতটি হাদীছ রয়েছে?
উত্তরঃ ২৭৭৪৬টি।
16. প্রশ্নঃ ছয়টি প্রসিদ্ধ হাদীছ গ্রন্থ ছাড়া আরো ৫টি হাদীছ গ্রন্থের নাম উল্লেখ কর?
উত্তরঃ মুসনাদে আহমাদ, মুআত্ত্বা মালেক, দারাকুত্বনী, সুনানে দারেমী, সুনানে বায়হাক্বী।
17. প্রশ্নঃ রিয়াযুস্ সালেহীন কিতাবটির লিখক কে?
উত্তরঃ ইমাম নভবী।
18. প্রশ্নঃ জাল হাদীছ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে কথাটি মানুষে তৈরী করেছে, অতঃপর তানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর নামে চালিয়ে দেয়া হয়েছে, তাকে জাল হাদীছ বলে।
19. প্রশ্নঃ আল্লাহর কুরআনের পর সর্বাধিক বিশুদ্ধতম গ্রন্থ কোনটি?
উত্তরঃ সহীহ বুখারী।
20. প্রশ্নঃ সহীহ বুখারীর একটি সবচেয়ে প্রসিদ্ধ ভাষ্য (ব্যাখ্যা) গ্রন্থের নাম কি?
উত্তরঃ হাফেয ইবনে হাজার আসকালানী (রহঃ) প্রণীত ফাতহুল বারী।
21. প্রশ্নঃ কোন দুটি হাদীছ গ্রন্থকে সহীহায়ন বলা হয়?
উত্তরঃ সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম।
22. প্রশ্নঃ মুত্তাফাকুন আলাইহে বলতে কি বুঝানো হয়?
উত্তরঃ যে হাদীছটি ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম নিজ নিজ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, সে হাদীছ সম্পর্কে বলা হয় মুত্তাফাকুন আলাইহে।
23. প্রশ্নঃ সুনানে তিরমিযীর একটি প্রসিদ্ধ ভাষ্য (ব্যাখ্যা) গ্রন্থের নাম উল্লেখ কর?
উত্তরঃ তুহফাতুল আহওয়াযী। লেখকঃ আবদুর্ রহমান মুবারকপুরী (রহঃ)।
24. প্রশ্নঃ সুনানে আবু দাউদের একটি প্রসিদ্ধ ভাষ্য (ব্যাখ্যা) গ্রন্থের নাম উল্লেখ কর?
উত্তরঃ আউনুল মাবূদ। লেখকঃ শামসূল হক আযীমাবাদী (রহঃ)।
25. প্রশ্নঃ মারফূ হাদীছ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে হাদীছটি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম)এর কথা, কাজ বা সমর্থন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে তাকে মারফূ হাদীছ বলে।
26. প্রশ্নঃ মাওকূফ হাদীছ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে হাদীছটি কোন সাহাবীর কথা, কাজ বা সমর্থন বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তাকে মাওকূফ হাদীছ বলে।
27. প্রশ্নঃ মাকতূ হাদীছ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে হাদীছটি কোন তাবেঈর কথা, কাজ বা সমর্থন বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তাকে মাক্বতূ হাদীছ বলে।
28. প্রশ্নঃ যঈফ হাদীছের কয়েকটি প্রকার উল্লেখ কর?
উত্তরঃ মুরসাল, মুনকাতে, মুযাল, মুনকার, মাক্বলূব, মুয্তারাব ইত্যাদি।
29. প্রশ্নঃ যঈফ হাদীছের উপর আমল করার হুকুম কি?
উত্তরঃ যঈফ হাদীছের উপর আমল করা উচিত নয়।
30. প্রশ্নঃ হাদীছের সনদ বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ হাদীছ বর্ণনার সময় বর্ণনাকারীদের সিলসিলা বা ধারাবাহিকভাবে তাদের নাম উল্লেখকে সনদ বলা হয়।
31. প্রশ্নঃ হাদীছের মতন কাকে বলা হয়?
উত্তরঃ হাদীছের মূল বক্তব্যটিকে মতন বলা হয়।
32. প্রশ্নঃ কোন খলীফার যুগে সর্বপ্রথম হাদীছ কিতাব আকারে লিপিবদ্ধ করা শুরু হয়?
উত্তরঃ খলীফা ওমর বিন আবদুল আযীযের (রহঃ) যুগে।
33. প্রশ্নঃ হাদীছের গ্রন্থ জগতে সর্বপ্রথম কোন কিতাবটি লিপিবদ্ধ করা হয়?
উত্তরঃ মুআত্ত্বা ইমাম মালেক। এতে ১৭০০টি হাদীছ লিপিবদ্ধ করা

Thursday, 23 July 2015

রাসুল (সাঃ) মাটির তৈরি নাকি নূরের তৈরি : গায়েব বা অদৃশ্যের খবর জানতেন : দুনিয়ার জীবনের মতো জীবিত/হায়াতুন্নবি?




রাসুল (সাঃ) সম্পর্কে ভুল ধারনা কাটিয়ে সঠিক আকিদা গ্রহণ করুণ- 

১- রাসুল (সাঃ) মাটির তৈরি নাকি নূরের তৈরি? 
এ প্রশ্নের উত্তর স্বয়ং আল্লাহ তা’লা দিয়েছেন, আল্লাহ তা’লা বলেন-
হে রাসুল আপনি বলে দিন যে, নিশ্চয় আমি তোমাদের মতোই একজন মানুষ। (কাহাফ-আয়াত ১১০)
তিনি আমাদের মতোই পিতা-মাতার মাধ্যমে জন্মগ্রহন করা ১ জন মানুষ কিন্তু আলাহ তা’লা তার কাছে আল-কুরআন অহি করে সমস্ত সৃষ্টিজগতের সব সৃষ্টি থেকে তাকে বেশী মর্যাদা দান করেছেন।সুতরাং তিনি আমাদের মতোই মানুষ কিন্তু শরিয়ত কিছু জায়গায় ভিন্ন বলেছেন যেমন রাসুল (সাঃ)-এর কাছে অহি আসতো,আমাদের কাছে অহি আসে না, তার ক্ষেত্রে ৪এর অধিক বিবাহ বৈধ ছিল,আমাদের জন্য নয়, তার জন্য যাকাতের মাল গ্রহণ করা হারাম ছিল...। সুতরাং শরিয়ত যে ক্ষেত্রে আলাদা বলেছে শুধু সেটা বাদে অন্য সব জায়গার ক্ষেত্রে আল্লাহ তা’লার এ বিধান যে, তিনি আমাদের মতোই মানুষ, শরীয়তের কোথাও বলা হয়নি যে, তিনি নূরের তৈরি আর তাছাড়া তায়েফে যখন রাসুল (সাঃ) কে পাথর মেরে রক্তাক্ত করা হল- তিনি নূরের তৈরি হলে তখন তো রক্ত না বের হয়ে নূর বের হওয়ার কথা ছিল। সুতরাং না জেনে শরিয়তের বিষয়ে কথা বলাতে সাবধান হন। 

২- রাসুল (সাঃ) কি গায়েব বা অদৃশ্যের খবর জানতেন?
উত্তরঃ একমাত্র আল্লাহ তা’লা ছাড়া কেও গায়েবের খবর জানে না। আল্লাহ তা’লা বলেন, হে রাসুল (সাঃ) আপনি বলুন, আমি তোমাদেরকে বলি না যে, আমার কাছে আল্লাহর ভাণ্ডার রয়েছে তাছাড়া আমি অদৃশ্য বিষয়ও অবগত নই। আমি এমনও বলি না যে, আমি ফেরেশতা। (আনআম-৫০)
রাসুল (সাঃ) গায়েব জানতেন না শুধুমাত্র অহির মাধ্যমে তাকে যা জানানো হতো তিনি তাই জানতেন। তায়েফের মানুষ রাসুল (সাঃ)-এর দাওয়াত প্রত্যাখ্যান করে তাকে পাথর মেরে রক্তাক্ত করেছিলেন- যদি রাসুল (সাঃ) আগে থেকেই জানতেন যে- তায়েফের মানুষ দাওয়াত তো প্রত্যাখ্যান করবেই সাথে পাথর মেরে আমাকে রক্তাক্ত করবে তাহলে কি তিনি তায়েফে যেতেন? অহুদের ময়দানে মুসলিমদের কি করুণ পরিণতি হয়েছিল শুধুমাত্র রাসুল (সাঃ)-এর ১টা আদেশ অমান্য করার কারণে, তিনি যদি আগে থেকেই জানতেন তাহলে কি এতো মুসলিম শহীদ হতো? রাসুল (সাঃ)-এর দাত ভাঙ্গতো? যারা আল্লাহ তা’লার কুরআন বিরোধী আকিদা রাখেন তাদের কাছে প্রশ্নগুলো রইলো, দয়া করে একটু চিন্তা করে দেখুন। 

৩- রাসুল (সাঃ) কি দুনিয়ার জীবনের মতো জীবিত/হায়াতুন্নবি? 
উত্তরঃ রাসুল (সাঃ) দুনিয়ার জীবন থেকে মৃত্যুবরণ করেছেন- আল্লাহ তা’লা রাসুল (সাঃ)-কে উদ্দেশ্য করে বলেন- নিশ্চয় তোমারও মৃত্যু হবে এবং তাদেরও মৃত্যু হবে। (জুমার-আয়াত ৩০)
দুনিয়ার জীবনে প্রত্যেককেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। রাসুল (সাঃ) দুনিয়ার জীবন থেকে মৃত্যুবরণ করেছেন। এ ব্যপারে সঠিক বিধান হচ্ছে তিনি মারা গেছেন কিন্তু কবরে জীবিত রয়েছেন আর সেটা পরকালিন জীবন, সেই জীবনের সাথে দুনিয়ার জীবনের কোন সম্পর্ক নেই এবং পরকালিন জীবনে আল্লাহ তা’লা খারাপ মানুষকে শাস্তিতে রেখেছেন এবং নবি-রাসুল সহ সমস্ত ভালো মানুষকে শান্তিতে-আরাম আয়েসে রেখেছেন, সুতরাং সেই জীবনের সাথে মিলিয়ে কেও যদি বলে যে- রাসুল (সাঃ) দুনিয়ার জীবনের মতো জীবিত/হায়াতুন্নবি তাহলে তো বলতে হয়, এ পর্যন্ত যারা মারা গেছে সবাই দুনিয়ার জীবনের মতো জীবিত কেননা তারাও তো রাসুল (সাঃ)-এর মতো কবরে জীবিত রয়েছে কেননা তাদের তো জীবিত করেই কবরে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। সুতরাং এ ব্যপারে সঠিক বিধান হচ্ছে তিনি মারা গেছেন কিন্তু কবরে জীবিত রয়েছেন আর সেটা পরকালিন জীবন, সেই জীবনের সাথে দুনিয়ার জীবনের কোন সম্পর্ক নেই।
Like · Comment · Share
  • Rafia Begum, Jobrul Miah and 15 others like this.
  • Sabbir Choudhury মা'শা আল্লাহ; সুন্দর আলোচনা করেছেন ৷ বিদ'আতীরা এই বিষয়গুলোকে নিয়েই সবসময় ধান্দাবাজি করে থাকে ৷৷

Saturday, 11 July 2015

সহীহুল বুখারীর নামের পূর্ন অর্থ : আল-জামি’ আল মুসনাদ আস সহীহ আল মুখতাসার মিন উমূরি রাসুলিল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম ওয়া সুনানিহী ওয়া আয়্যামিহী


সহীহুল বুখারীর নামের পূর্ন অর্থ
ইমাম মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বুখারীর (র) সংকলিত সহীহুল বুখারী হাদীস গ্রন্থের সম্পুর্ণ নাম এবং সেই নামের ব্যাখ্যা আমাদের জনা উচিত। কেননা আমরা যদি তা জানি তাহলে আমরা বুঝবো যে ইমাম বুখারী (র) তার সংকলিত হাদীসের গ্রন্থ দারা কি বুঝাতে চেয়েছেন।
গ্রন্থের পূর্ননাম:
আল-জামি’ আল মুসনাদ আস সহীহ আল মুখতাসার মিন উমূরি রাসুলিল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম ওয়া সুনানিহী ওয়া আয়্যামিহী।
আল-জামি’:
হাদীসের প্রধান প্রধান বিষয়সমূহ সম্বলিত বলে একে ‘জামি’য়’ বা পূর্ণাঙ্গ বলা হয়। যে সকল হাদীস গ্রন্থে ১. আকিদা-বিশ্বাস ২. আহকাম ৩. আখলাক ও আদাব ৪. কুরআনের তাফসীর ৫. সীরত ও ইতিহাস ৬. ফিতনা ও আশরাত (বিশৃঙ্খলা ও আলামতে কিয়ামত) ৭. রিকাফ অর্থাৎ আত্বসুদ্ধি ৮. মানাকিব বা ফাজিলাত ইত্যাদি সকল প্রকারের হাদীস বিভিন্ন অধ্যায়ে সন্নিবেশিত হয় তাকে আল- জামি’ বলা হয়। ইমাম বুখারী (র) তার আল-জামে’ কে বিভিন্ন পর্ব হিসেবে সাজিয়েছেন যেমন: পর্ব (১): কিতাবুল ওয়াহী বা ওয়াহীর সূচনা, পর্ব (২): কিতাবুল ইমান বা ইমান (বিশ্বাস) ইত্যাদি। ইমাম বুখারী (র) এর আগে কেউ এরখম আল-জামি’ গ্রন্থ সংকলন করেন নাই। এবং ইমাম বুখারী (রা) এর মতো কেউ আল-জামি’ কে সাজাতেও পারেনাই। ইমাম বুখারী (র) তার এই জামে’ শব্দ দারা বুঝাতে চেয়েছেন যে ‍তিনি এমন একটি কিতাব লিখতে চান যাতে ইসলামের সকল বিষয় সংযুক্ত থাকবে।
আল মুসনাদ:
আল মুসনাদ বলতে তিনি বুঝিয়েছেন যে তিনি এই গ্রন্থের প্রত্যেকটি হাদীসের সুত্র উল্লেখ করবেন যাতে করে যে কেউ সহযে বুঝতে পারে যে হাদীসটি রসুল (সা) থেকে কিভাবে তার পর্যন্ত এসেছে। আল মুসনাদ অর্থ ইসনাদ (সুত্র) সম্বলিত। যেমন: A,B থেকে শুনেছে B,C থেকে শুনেছে C,D থেকে শুনেছে D, রসুল (সা) থেকে শুনেছে। ইমাম বুখারী (র) বলতেছেন যে তিনি পুরো ইসনাদ দিবেন যাতে কোন সন্ধেহ না থাকে এবং যানা যায় হাদীসটি কোথা থেকে কিভাবে এসেছে। (বি:দ্র: হাদীসের গ্রন্থের ক্ষেত্রে মুসনাদ আলাদা বিষয় যেমন: মুসনাদে আহমাদ)
আস-সহীহ:
তিনি বলতেছেন যে তিনি এই গ্রন্থে উচ্চ স্থরের সহীহ হাদীস গুলোকেই শুধু মাত্র সংকলিত করবেন। কেননা হাদীসের মাঝে অনেক স্থর রয়েছে যেমন: ১. সহীহ ২. হাসান ৩. যইফ ৪. যইফ জিদ্দান ৫. মওযু’ । তিনি এই গ্রন্থে শুধু মাত্র সহীহ হাদীস নিয়ে আসবেন সেটা তিনি বলেছেন আস-সহীহ দ্বারা। ইমাম বুখারী (র) প্রথম যিনি সহীহ হাদীসের গ্রন্থ লিখেছেন। তিনি ২ টা জিনিস করেছেন যা তার আগে কেউ করেননি ১. জামে’ গ্রন্থ কেউ সংকলন করেননি ২. শুধু সহীহ হাদীস হাদীস দারা কেউ গ্রন্থ সংকলন করেননি।
আল-মুখতাসার:
মুখাতসার মানে হচ্ছে উপসংহার বা সামারী বা সংক্ষিপ্ত । তিনি জামে’ লিখেছেন আর তার অনুচ্ছেদ লিখে তাকে মুখতাসার করেছেন। আল জামে’ হচ্ছে টপিক্স (topics) আল মুখতাসার এর কনটেন্ট (content)। আল মুখতাসার বলে তিনি আরোও বুঝিয়েছেন যে, তিনি পৃথিবীর সকল সহীহ হাদীস এই গ্রন্থের মধ্যে নিয়ে আসবেন না অর্থাৎ তিনি বলছেন যে তার এই সহীহর বাহীরেও সহীহ হাদীস থাকতে পারে। এবং এটা খুব গুরুত্বপূর্ন বিষয় যে ইমাম বুখারী (র) কখনই বলেন নাই যে তিনি পৃথিবীর সকল সহীহ হাদীস সংকলন করছেন, তবে তার কিতাবের সকল হাদীস সহীহ তিনি সেটাই বলেছেন। তিনি মুখতাসার করেছেন ফেকার বর্ণনা ধারায়। ইমাম বুখারী (র) একজন উচ্চমানের ফকিহ্ ও ছিলেন। তিনি নিজেই মুজতাহীদ ছিলেন।
মিন উমূরি রাসুলিল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম ওয়া সুনানিহী ওয়া আয়্যামিহী:
রসূল (সা) জীবনী সময়ের তার কথা,কাজ,অনুমোদনে এর বর্ণনা । তিনি বলছেন যে এটা শুধু রসুল (সা) কথা নয় এটা রসুল (সা) জীবনে কি ঘটেছিল, তিনি কি করেছিলেন, সে সময়ে কি হয়েছিল তার সকল কিছু সংকলিত করা হয়েছে।
============================================================================
আমরা সংক্ষিপ্ত ভাবে এই গ্রন্থকে ”সহীহুল বুখারী” বলে থাকি কিন্তু তিনি এই গ্রন্থকে ”আল-জামি’ আলমুসনাদ আসসহীহ আলমুখতাসার মিন উমূরি রাসুলিল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম ওয়া সুনানিহী ওয়া আয়্যামিহী” নামকরণ করার মাধ্যমে অনেক কিছুই বুঝাতে চেয়েছেন।
ইনশাআল্লাহ এই নামকরন জানার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারবো যে ইমাম বুখারী তার গ্রন্থকে কিভাবে সাজিয়েছেন মুসলিম উম্মার জন্য এবং সত্যি এই গ্রন্থ আমাদের কাছে এমন যেন আমরা রসুল (সা) বানী গুলো শুনতে পাই গ্রন্থ পড়ার মাধ্যমে। আল্লাহ সুবহানাহুতাআলা ইমাম বুখারীকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুন সাথে আমাদেরকেও তার সহীহ থেকে উপকৃত হওয়ার তাওফিক দিন।আমিন।
তথ্যসুত্র:
1. সহীহ আল বুখারী অনুবাদ ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
2. সহীহুল বুখারী অনুবাদ তাওহীদ প্রকাশনী।
3. ইমাম বুখারীর (র) জীবনী গ্রন্থ।
4. ড: শায়খ ইয়াসির কাদীর ইমাম বুখারীর জীবনী লেকচার।
সূত্র

Friday, 3 July 2015

রাসূল (সাঃ) এর জন্মকালীন এক অলৌকিক ঘটনা


বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ) পিতা আব্দুল্লাহ ও মাতা আমিনার মাধ্যমে দুনিয়ার বুকে তশরিফ আনলেন। নূর নবীর জন্মকালীন সময়ে অগনিত অলৌ্কিক ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে ।
নবী মাতা আমিনা হয়তে বরণিত আছে , তিনি বলেন, যে সময় আমি আমার পুত্র কে প্রশব করেছিলা তখন একটি জোতিরময় বিরাট আবর ( মেঘমালা ) দেখতে পেলাম । তার ভিতর হতে নিমুক্ত আওয়াজ সুনতে পেলাম । কে যেন বলছে, তাঁকে (মুহাম্মদ সাঃ কে) দানকর-হযরত আদম (আঃ) এর আদরশ চরিত্র, হযরত শীস (আঃ) এর এল্মে মরিফত, হযরত নূহ (আঃ) এর বীরত্ব, হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এর বন্ধুত্ব, হযরত ইস্মাইল (আঃ) এর ভাসা, হযরত ইসহাক (আঃ) এর সন্তুস্টি, হযরত সালেহ (আঃ) এর নিরভুল বাক্য, হযরত লূত (আঃ) এর বিজ্ঞান, হযরত ইয়াকুব (আঃ) এর সুসংবাদ, হযরত মুসা (আঃ) কঠুরতা, হযরত আইয়ূব (আঃ) এর ধৈয্য, হযরত ইউনুস (আঃ) এর মান্যতা ও বন্দেগী, হযরত ইউসা (আঃ) এর জিহাদ, হযরত দাউদ (আঃ) এর আওয়াজ, হযরত দানিয়েল (আঃ) এর মহব্বত, হযরত ইয়াহিয়া (আঃ) এর পবিত্রতা, হযরত ঈছা (আঃ) এর সাধুতা এবং সকল আম্বিয়া (আঃ) এর চরিত্র সাগরে তাকেঁ ডুবিয়ে দাও ।
অরথাত সকল নবীর চরিত্র গুনে গুনান্নিত কর । -(মাওয়াহিবুল্লাদুন্নিয়া ১ম খন্ড পৃঃ–২২)